বিতর ছালাতের কুনূত

বিতর ছালাতের কুনূত হিসাবে উপরোক্ত দো‘আটি না পড়ে নিম্নে বর্ণিত ছহীহ দো‘আটি পড়তে হবে। বিতরের সা্লাতে সঠিক দুয়া কুনুতঃ
ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻫْﺪِﻧِﻲْ ﻓِﻴْﻤَﻦْ ﻫَﺪَﻳْﺖَ، ﻭَﻋَﺎﻓِﻨِﻰْ ﻓِﻴْﻤَﻦْ ﻋَﺎﻓَﻴْﺖَ، ﻭَﺗَﻮَﻟَّﻨِﻲْ ﻓِﻴْﻤَﻦْ ﺗَﻮَﻟَّﻴْﺖَ، ﻭَﺑَﺎﺭِﻙْ ﻟِﻲْ ﻓِﻴْﻤَﺎ ﺃَﻋْﻄَﻴْﺖَ، ﻭَﻗِﻨِﻲْ ﺷَﺮَّ ﻣَﺎ ﻗَﻀَﻴْﺖَ، ﻓَﺈِﻧَّﻚَ ﺗَﻘْﻀِﻰْ ﻭَﻻَ ﻳُﻘْﻀَﻰ ﻋَﻠَﻴْﻚَ، ﺇﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺬِﻝُّ ﻣَﻦْ ﻭَّﺍﻟَﻴْﺖَ، ﻭَ ﻻَ ﻳَﻌِﺰُّ ﻣَﻦْ ﻋَﺎﺩَﻳْﺖَ، ﺗَﺒَﺎﺭَﻛْﺖَ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﺗَﻌَﺎﻟَﻴْﺖَ، ﻭَﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ-

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মাহ্দিনী ফীমান হাদায়িত , ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইত, ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইত, ওয়া বা-রিকলি ফীমা ‘আ‘ত্বাইত, ওয়া ক্বিনী শাররা মা ক্বাযাইত; ফাইন্নাকা তাক্বযী ওয়া লা ইয়ুক্বযা ‘আলাইক, ইন্নাহূ লা ইয়াযিল্লু মাঁও ওয়া-লাইত, ওয়া লা ইয়া‘ইয্ঝু মান্ ‘আ-দাইত, তাবা-রকতা রববানা ওয়া তা‘আ-লাইত, ওয়া সাল্লাল্লা-হু ‘আলান্ নাবী’।
অনুবাদ : হে আল্লাহ! তুমি যাদেরকে সুপথ দেখিয়েছ, আমাকে তাদের মধ্যে গণ্য করে সুপথ দেখাও। যাদেরকে তুমি মাফ করেছ, আমাকে তাদের মধ্যে গণ্য করে মাফ করে দাও। তুমি যাদের অভিভাবক হয়েছ, তাদের মধ্যে গণ্য করে আমার অভিভাবক হয়ে যাও। তুমি আমাকে যা দান করেছ, তাতে বরকত দাও। তুমি যে ফায়ছালা করে রেখেছ, তার অনিষ্ট হ’তে আমাকে বাঁচাও। কেননা তুমি সিদ্ধান্ত দিয়ে থাক, তোমার বিরুদ্ধে কেউ সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তুমি যার সাথে বন্ধুত্ব রাখ, সে কোনদিন অপমানিত হয় না। আর তুমি যার সাথে দুশমনী কর, সে কোনদিন সম্মানিত হ’তে পারে না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি বরকতময় ও সর্বোচ্চ। আল্লাহ তাঁর নবীর উপরে রহমত বর্ষণ করুন’।
(সুনানু আরবা‘আহ, দারেমী, মিশকাত হা/১২৭৩ ‘বিতর’ অনুচ্ছেদ-৩৫; ইরওয়া হা/৪২৯, ২/১৭২।) কুনুতে রাতেবা বিতরের কুনুতঃ
দুয়া কুনুত পড়া ওয়াজিব নয়। মাঝে মাঝে দুয়া কুনুত ছেড়েও দেয়া যায়। – আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিজি।
তবে রুকুর পড়ে কুনুত পড়ার বর্ননাকারী অধিক এবং এর উপরেই খুলাফায়ে রাশেদিন আমল করেছেন। – বায়হাক্বী। তাই রুকুর পড়ে কুনুত পাঠ করাই উত্তম।
ওমর (রাঃ), আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ), আনাস (রাঃ), আবু হুরায়রা (রাঃ) সাহাবি থেকে বিতরের কুনুতে বুক বরাবর হাত তুলে দুয়া করা প্রমাণিত আছে। -বায়হাক্বী।
কিন্তু আমাদের সমাজে প্রচলিত যে আল্লাহু আকবার বলে কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে আবার হাত বেধে দুয়া কুনুত পাঠের ‘সহিহ’ কোন দালিলিক প্রমান নাই।
হাত দুলে দুয়া করে হাত মুখে মুছার কোন দলিল নেই তাই এরূপ না করাই শ্রেয়।

Leave a Reply