শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

কুরআন মাজীদ ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ, যা আল্লাহর বাণী। এটি আরবী সাহিত্যের সর্বোৎকৃষ্ট কর্ম হিসেবে বিবেচিত। কুরআনকে প্রথমে অধ্যায়ে (আরবীতে সূরা) ভাগ করা হয় এবং অধ্যায়গুলো (সূরা) আয়াতে বিভক্ত করা হয়েছে।  বিস্তারীত » 

হাদিস হলো মূলত ইসলামের শেষ বাণীবাহকের বাণী ও জীবনাচরণ। হাদিসের উপদেশ মুসলমানদের জীবনাচরণ ও ব্যবহারবিধির অন্যতম পথনির্দেশ। কুরআন ইসলামের মৌলিক গ্রন্থ এবং হাদিসকে অনেক সময় তার ব্যাখ্যা হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
তাফসীর অর্থঃ “ব্যাখ্যা” যা সাধারণত কুরআনের ব্যাখ্যাকে নির্দেশ করে। যিনি তাফসীর করেন বা তাফসীর গ্রন্থ রচনা করেন তিনি “মুফাসসির” হিসাবে পরিচিত। ‘তাফসীর’ শব্দটি আরবী শব্দমূল ফা-সিন-রা থেকে উৎপত্তি হয়ছে যার অর্থঃ ব্যাখ্যা করা, বিস্তৃত করা, খোলাসা করা ।

ফিকহ : الفقه) হলো ইসলামি আইনশাস্ত্র, যা অধ্যয়নের মাধমে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সকল বিষয়ে ইসলামী শরীয়তের বিধান জানা যায়। কুরআন ও হাদীসের মৌলিক বিধানগুলোর যে প্রায়োগিক রূপ হলো ফিকহ শাস্ত্র। বাংলা ভাষায় এটিকে ফেকাহ, ফেকাহশাস্ত্র এবং ইলমুল ফিকহ-ও বলা হয়। যা ইমাম আবু হানীফা ও এর একজন ইমাম ছিলেন। ফিকহ একটি আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হলো উপলব্ধি করা, গভীরভাবে কিছু বুঝতে পারা, অনুধাবন করা, সূক্ষ্মদর্শিতা ইত্যাদি। ইসলামের পরিভাষায় ফিকহ হলো এমন শাস্ত্র, যার মাধ্যমে ইসলামের উৎসমূহ তথা কুরআন ও হাদীস থেকে বিস্তারিত প্রমাণসহ ব্যবহারিক জীবনের বিভিন্ন বিধি-বিধান ও ইসলামি সমাধান জানা যায়। ফিকহ শব্দটি এই অর্থেই বেশি প্রসিদ্ধ। তবে বর্তমানে আরবি ভাষায় আইনশাস্ত্রকেই ফিকহ বলা হয়, সেটা ইসলামি আইনশাস্ত্র হোক অথবা অন্য কোন আইনশাস্ত্র হোক।


••  ছরোয়ার, মুহাঃ গোলাম (২০১৪)। “বাংলা ভাষায় ফিকহ চর্চা (১৯৪৭-২০০৬): স্বরূপ ও বৈশিষ্ঠ্য বিচার”।

কুরআন মাজীদ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই অনেক কিছু জানা জরুরী মনে করলেও অনেক সময় প্রয়োজনমত ঐ বিষয়ের উপর আয়াত খুজে পাই না; অনেক খুজা-খুজির পর একটা সময় আমরা কুরআন রেখে দেই। তাই আমাদের এবারের প্রকল্প কুরআন থেকে বিশয়ের উপর শব্দ বেছে ঐ শব্দের উপর বিষয় ভিত্তিক আয়াত গুলো একত্র করা। আল্লাহ্‌ সুবহানা তা’আলা যেন আমাদের সহায় হোন; আমিন ইয়া রব্বুল আলামিন।
Close Menu